খণ্ড ১ · সমাজ · 익힘책 · পৃষ্ঠা ১০–১১
১কোরিয়ার প্রতীক한국의 상징
বহুনির্বাচনীসঠিক উত্তর বেছে নিন
- ১
다음 제시된 것들의 공통점은?নিচে দেওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে মিল কী?
〈보기〉• 태극기 • 애국가 • 무궁화• তাইগুকগি (জাতীয় পতাকা) • অ্যাগুকগা (জাতীয় সঙ্গীত) • মুগুংহুয়া (জাতীয় ফুল) - ২
태극기에 대한 설명으로 옳은 것은?তাইগুকগি সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সঠিক?
- ৩
한국의 국화와 국가 문장에 대한 설명으로 옳은 것은?কোরিয়ার জাতীয় ফুল ও রাষ্ট্রীয় প্রতীকচিহ্ন (국가 문장) সম্পর্কে কোন বক্তব্যটি সঠিক?
- ৪
다음은 한국의 국가인 애국가의 일부이다. 다음 빈칸에 들어갈 말은?নিচের অংশটি কোরিয়ার জাতীয় সঙ্গীত অ্যাগুকগার একটি অংশ। শূন্যস্থানে কোন শব্দটি বসবে?
〈보기〉동해물과 백두산이 마르고 닳도록 하느님이 보우하사 우리나라 만세. ( ) 삼천리 화려강산 대한 사람 대한으로 길이 보전하세যতক্ষণ না পূর্ব সাগরের জল শুকিয়ে যায় আর ব্যাকদু পর্বত ক্ষয়ে যায়, ঈশ্বর রক্ষা করুন, দীর্ঘজীবী হোক আমাদের দেশ। ( ) তিন হাজার লির মনোরম নদী-পাহাড়ের দেশ, কোরিয়ার মানুষ কোরিয়াকে চিরকাল রক্ষা করো। - ৫
다음 중 아래 글의 내용으로 옳은 것은?নিচের লেখার বিষয়বস্তু অনুযায়ী কোনটি সঠিক?
〈보기〉대한민국 고유 문자인 한글은 1443년 조선의 세종대왕이 만들었다. 한글의 자음은 혀, 목, 입술 등 발음기관의 모양을, 모음은 하늘(ㆍ), 땅(ㅡ), 사람(ㅣ)의 모양을 본떠 만들었다. 자음(14개)과 모음(10개) 모두 24개의 문자를 조합하여 모든 글자를 만들 수 있다. 세종대왕이 학자들과 함께 만든 책 '훈민정음 해례본'은 한글을 만든 목적이 글을 읽을 줄 모르는 백성이 쉽게 배워 쓸 수 있는 글자를 만드는 것임을 밝히고 있다. 훈민정음 해례본이 만들어진 날을 기념하여 10월 9일을 한글날로 정해 기념하고 있다. 유네스코에서도 이 책을 세계기록유산으로 지정하였고 세계 곳곳에서 문맹을 없애는 데 공이 큰 사람이나 단체에게 '세종대왕상'이라는 이름의 상을 주고 있다.কোরিয়ার নিজস্ব লিপি হাংগুল ১৪৪৩ সালে জোসোন রাজবংশের রাজা সেজং তৈরি করেন। হাংগুলের ব্যঞ্জনবর্ণ জিহ্বা, গলা, ঠোঁট ইত্যাদি বাগযন্ত্রের আকৃতি অনুসরণ করে, আর স্বরবর্ণ আকাশ (ㆍ), পৃথিবী (ㅡ) ও মানুষের (ㅣ) আকৃতি অনুসরণ করে তৈরি। ১৪টি ব্যঞ্জনবর্ণ ও ১০টি স্বরবর্ণ — মোট ২৪টি অক্ষর মিলিয়ে সব শব্দাংশ লেখা যায়। রাজা সেজং পণ্ডিতদের সঙ্গে মিলে যে বই 'হুনমিনজংউম হেরেবন' তৈরি করেন, তাতে বলা আছে হাংগুল তৈরির উদ্দেশ্য ছিল — যে প্রজারা পড়তে জানে না তারা যেন সহজে শিখে লিখতে পারে এমন অক্ষর তৈরি করা। হুনমিনজংউম হেরেবন তৈরির দিনটি স্মরণ করে ৯ অক্টোবরকে হাংগুল দিবস হিসেবে পালন করা হয়। ইউনেস্কোও এই বইটিকে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (세계기록유산) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে নিরক্ষরতা দূর করতে বড় অবদান রাখা ব্যক্তি বা সংস্থাকে 'রাজা সেজং পুরস্কার' দেয়। - ৬
한국의 국경일 중 국가를 위해 자신의 목숨을 바친 분들을 기리는 날은?কোরিয়ার জাতীয় দিবসগুলোর মধ্যে কোন দিনটি দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারীদের স্মরণে পালিত হয়?
구술형মুখে বলে অনুশীলন
1) 국가 상징을 정하는 이유는 무엇인가요?১) রাষ্ট্রীয় প্রতীক নির্ধারণ করার কারণ কী?
নমুনা উত্তর দেখুন
국가 상징을 정하는 이유는 자신의 나라를 세계에 알리기 위해서입니다. 또한 나라의 역사와 문화를 담은 상징을 통해 국민의 나라 사랑하는 마음을 하나로 모을 수 있습니다.রাষ্ট্রীয় প্রতীক নির্ধারণের কারণ হলো নিজের দেশকে বিশ্বের কাছে পরিচিত করা। এছাড়া দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ধারণ করা প্রতীকের মাধ্যমে নাগরিকদের দেশপ্রেমকে এক করা যায়।
2) 한국의 여러 가지 국가 상징 중에 한국을 가장 잘 나타낸 것은 무엇이라고 생각하나요? 그 이유는 무엇인가요?২) কোরিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতীকের মধ্যে কোনটি কোরিয়াকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে বলে আপনি মনে করেন? কেন?
নমুনা উত্তর দেখুন
저는 태극기가 한국을 가장 잘 나타낸다고 생각합니다. 태극기의 흰색은 평화를, 태극과 4괘는 조화를 의미하기 때문입니다. 그래서 태극기를 보면 평화와 화합을 중요하게 여기는 한국 사람들의 마음을 느낄 수 있습니다.আমার মনে হয় তাইগুকগি কোরিয়াকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে। কারণ তাইগুকগির সাদা রং শান্তি এবং তাইগুক ও চারটি ত্রিগ্রাম সামঞ্জস্য বোঝায়। তাই তাইগুকগি দেখলে শান্তি ও ঐক্যকে গুরুত্ব দেওয়া কোরীয়দের মনোভাব অনুভব করা যায়।
3) 자신의 고향 나라 상징 중 하나와 그 의미를 말해 보세요.৩) আপনার নিজের দেশের একটি প্রতীক ও তার অর্থ বলুন।
নমুনা উত্তর দেখুন
방글라데시의 국기는 초록색 바탕 가운데에 빨간 원이 있습니다. 초록색은 방글라데시의 푸른 자연을 나타냅니다. 빨간 원은 떠오르는 태양과 1971년 독립 전쟁에서 목숨을 바친 사람들의 피를 의미합니다.বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় সবুজ পটভূমির মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত আছে। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতিকে বোঝায়। লাল বৃত্তটি উদীয়মান সূর্য এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক।
작문형লিখে অনুশীলন
다음 내용을 포함하여 '대한민국'이라는 제목으로 글을 쓰시오.নিচের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে 'কোরিয়া প্রজাতন্ত্র' শিরোনামে একটি লেখা লিখুন।
- 대한민국 하면 무엇이 떠오릅니까? 왜 그것이 생각납니까?কোরিয়া প্রজাতন্ত্র বললে আপনার মনে কী আসে? কেন সেটা মনে পড়ে?
- 대한민국 국가 상징 중에 특별히 인상적인 것은 무엇입니까? 그 이유는 무엇입니까?কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় প্রতীকগুলোর মধ্যে কোনটি বিশেষভাবে আপনার মনে দাগ কেটেছে? কেন?
- 앞으로 대한민국에서 어떤 삶을 살고 싶습니까?ভবিষ্যতে কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে আপনি কেমন জীবন কাটাতে চান?
নমুনা রচনা দেখুন
대한민국 하면 가장 먼저 한글이 떠오른다. 방글라데시에 있을 때부터 한글을 배우면서 글자를 만드는 원리가 간단하고 과학적이라는 것을 느꼈기 때문이다. 대한민국 국가 상징 중에서 특별히 인상적인 것은 태극기이다. 흰색 바탕은 평화를 의미하고 태극과 4괘는 조화를 나타낸다. 작은 국기 안에 평화와 화합의 뜻이 담겨 있다는 점이 아름답다고 생각한다. 앞으로 나는 대한민국에서 한국어를 더 열심히 공부하고 성실하게 일하며 살고 싶다. 또한 한국의 법과 문화를 존중하면서 이웃과 함께 어울려 사는 좋은 구성원이 되고 싶다.কোরিয়া প্রজাতন্ত্র বললে সবার আগে হাংগুলের কথা মনে পড়ে। কারণ বাংলাদেশে থাকার সময় থেকেই হাংগুল শিখতে গিয়ে আমি অনুভব করেছি যে এর অক্ষর তৈরির নীতি সরল ও বিজ্ঞানসম্মত। কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় প্রতীকগুলোর মধ্যে আমার কাছে বিশেষভাবে মনে দাগ কাটা প্রতীক হলো তাইগুকগি। এর সাদা পটভূমি শান্তি বোঝায়, আর তাইগুক ও চারটি ত্রিগ্রাম সামঞ্জস্য প্রকাশ করে। ছোট একটি পতাকার মধ্যে শান্তি ও ঐক্যের অর্থ ধরা আছে — এটা আমার কাছে সুন্দর মনে হয়। ভবিষ্যতে আমি কোরিয়ায় আরও মন দিয়ে কোরীয় ভাষা শিখতে এবং আন্তরিকভাবে কাজ করে জীবন কাটাতে চাই। এছাড়া কোরিয়ার আইন ও সংস্কৃতিকে সম্মান করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে মিলেমিশে থাকা একজন ভালো সদস্য হতে চাই।
নমুনাটি এই সাইটের লেখা, বইয়ের নয় — নিজের ভাষায় লেখার অনুশীলন করুন।